প্রশান্তি ডেক্স ॥ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫-এর লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থী। গত বুধবার (২১ জানুয়ারি) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর এ ফলাফল প্রকাশ করে। গত ৯ জানুয়ারি ৬১ জেলায় (পার্বত্য তিন জেলা ছাড়া) একযোগে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

অধিদফতরের মহাপরিচালক জানান, লিখিত পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে সর্বমোট ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। লিখিত পরীক্ষায় নির্বাচিত প্রার্থীদের ফলাফল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় (mopme.gov.bd) ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের ওয়েবসাইটে (dpe.gov.bd) পাওয়া যাবে। অধিদফতর জানায়, গত বছরের ৫ ও ১২ নভেম্বর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল।
আজকের এ ফলাফল সাময়িক ফলাফল হিসেবে গণ্য হবে। এ ফলাফলের ভিত্তিতে নির্বাচিত প্রার্থীরা কেবল মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন। এ ফলাফল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রাজস্বখাতভূক্ত সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫-এর কোনও শূন্য পদে নিয়োগের জন্য কোনও নিশ্চয়তা দেয় না।
প্রকাশিত ফলাফলের যেকোনও পর্যায়ে কোনও প্রকার ভুল-ভ্রান্তি/ত্রুটি-বিচ্যুতি/মুদ্রণজনিত ত্রুটি পরিলক্ষিত হলে তা সংশোধন করার বা প্রয়োজনবোধে সংশ্লিষ্ট ফলাফল বাতিল করার এখতিয়ার কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে।
কোনও প্রার্থী ইচ্ছাকৃত কোনও ভুল তথ্য প্রদান করলে কিংবা কোনও তথ্য গোপন করেছেন মর্মে প্রতীয়মান/প্রমাণিত হলে কর্তৃপক্ষ তার ফলাফল বা নির্বাচন বাতিল করতে পারবে।
প্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর ও মৌখিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫’ অনুসরণপূর্বক নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে প্রার্থী নির্বাচন করা হবে।
মৌখিক পরীক্ষার স্থান, তারিখ ও সময় সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ওয়েবসাইট ও নোটিশ বোর্ডে প্রকাশ করা হবে। মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত প্রার্থীদের রোল নম্বর ক্রমানুসারে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় (mopme.gov.bd) ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের ওয়েবসাইট (dpe.gov.bd)-এ পাওয়া যাবে।
প্রসঙ্গত, গত বছরের ৫ ও ১২ নভেম্বরের বিজ্ঞাপনের আলোকে ৬১টি জেলায় (তিন পার্বত্য জেলা ছাড়া) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রাজস্বখাতভুক্ত সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫-এর লিখিত পরীক্ষা ১ হাজার ৪০৮টি কেন্দ্রে গত ৯ জানুয়ারি একযোগে অনুষ্ঠিত হয়। সহকারী শিক্ষকের ১৪ হাজার ৩৮৫টি পদের বিপরীতে ১০ লাখ ৮০ হাজার ৯৫টি আবেদন জমা পড়ে এবং মোট ৮ লাখ ৩০ হাজার ৮৮ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন।