কসবায় ফুলকপি চাষ করে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছেন কৃষক রবিউল

ভজন শংকর আচার্য্য, কসবা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি ॥ কসবা উপজেলায় ‘ফ্লাড রিকনস্ট্রাকশন ইমার্জেন্সি এি্‌সসটেন্স প্রজেক্ট (ফ্রিপ) এর আওতায় নন ক্রিপার সবজি উৎপাদন প্রদর্শনীর ফুলকপি চাষ করে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছেন কৃষক রবিউল আলম রব্বানী। উপজেলা কৃষি অফিসের সহযোগিতায় তার জমিতে উৎপাদিত প্রতিটি ফুলকপির ওজন হয়েছে প্রায় ৩ থেকে ৫ কেজি।

গত সোমবার (১৯ জানুয়ারি, ২০২৬) তিনি তার এই বিশাল আকৃতির ফুলকপির প্রথম সংগ্রহ শুরু করেছেন। উপজেলা কৃষি অফিস হতে জানা যায় যে, ফ্রিপ প্রকল্পের অধীনে এ উপজেলায় ১০ টি নন ক্রিপার সবজি উৎপাদন প্রদর্শনী বাস্তবায়ন করা হয়েছে। যার একটি প্রদর্শনী কৃষক রবিউল আলম রব্বানীকে দেওয়া হয়েছে। প্রদর্শনীটি বাস্তবায়নের জন্য উক্ত কৃষককে উন্নত জাতের ফুলকপির চারা, প্রয়োজনীয় সার, কীটনাশকসহ বিভিন্ন ধরণের কৃষি উপকরণ, আন্ত: পরিচর্যার খরচ ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করা হয়েছিল। উপজেলা কৃষি অফিসের তত্ত্বাবধানে, উপসহকারী কৃষি অফিসার এর পরামর্শ ও কৃষকের নিবিড় পরিচর্যার ফলে ফুলকপির ফলন হয়েছে আশাতীত। বর্তমানে বাজারে সবজির দাম ভালো থাকায় তিনি ব্যাপক লাভবান হচ্ছেন।

সফল কৃষক মো. রবিউল আলম রব্বানী বলেন যে, উপজেলা কৃষি অফিসের সঠিক পরামর্শ এবং মানসম্মত উপকরণ পাওয়ায় আমার এই সফলতা। এত বড় আকারের ফুলকপি দেখতে এলাকার অন্য কৃষকরাও ভিড় করছেন। মাঠ থেকে সংগ্রহীত একেকটি ফুলকপি গড়ে প্রায় ১০০ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি করতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।

এ বিষয়ে কসবা উপজেলা কৃষি অফিসার জনাব আয়শা আক্তার বলেন, কসবার মাটি সবজি চাষের জন্য অত্যন্ত উর্বর ও সমৃদ্ধ। কৃষক মো. রবিউল আলম রব্বানী এর এই সাফল্য প্রমাণ করে যে, কসবা উপজেলায় উচ্চমূল্যের সবজি চাষ করে কৃষকদের ভাগ্য পরিবর্তনের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। তাকে দেখে আশেপাশের কৃষকরাও আগ্রহী হচ্ছেন। আমরা আধুনিক প্রযুক্তি ও সরকারি সহায়তার মাধ্যমে কসবার কৃষিকে আরও সমৃদ্ধ করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.