কসবা ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি ॥ কসবা উপজেলায় মোট ভোটারের সংখ্যা ৩ লাখ ৬ হাজার ৪৫৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৫৯ হাজার ৭০৯ জন, মহিলা ভোটার ১ লাখ ৪৬ হাজার ৭৪৮ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ২ জন। উপজেলায় মোট ভোটকেন্দ্র ৮৫ টি এবং ভোটকক্ষ ৫৯১টি। সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ছামিউল ইসলাম গত মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকালে জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। কসবায় ভোটের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রয়েছে এবং ভোটাররা নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারবেন।

তিনি বলেন, ভোটগ্রহণ যাতে সুন্দর, স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য হয় সে লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। উপজেলার ৮৫টি ভোটকেন্দ্রের প্রতিটিতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি একটি কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়েছে, যেখান থেকে সব কেন্দ্র সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হবে।
নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়ে তিনি জানান, সার্বিক নিরাপত্তায় সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ ও আনসার ভিডিপির সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। প্রতিটি কেন্দ্রে দুইজন পুলিশ সদস্য বডি অন ক্যামেরাসহ দায়িত্ব পালন করবেন। জাল ভোট, একাধিক ভোট প্রদান বা কেন্দ্রের ভেতরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে তা বডি অন ক্যামেরায় ধারণ হবে এবং তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।
প্রতিটি কেন্দ্রে ৩ জন সশস্ত্র আনসার ও ১০ জন লাঠিয়াল আনসার দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া উপজেলায় তিন প্লাটুন সেনাবাহিনী, তিন প্লাটুন বিজিবি, পুলিশের ৬টি মোবাইল টিম ও ১টি স্ট্রাইকিং টিম এবং আনসারের ১টি স্ট্রাইকিং টিম মোতায়েন থাকবে। র্যাবের একটি বিশেষ টিমও দায়িত্ব পালন করবে।
তিনি আরও জানান, উপজেলার ৮৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৫৪টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং এসব কেন্দ্রে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শেষে তিনি ভোটারদের নির্বিঘ্নেন ভোটকেন্দ্রে এসে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার আহ্বান জানান।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) সংসদীয় আসন কসবা ও আখাউড়া উপজেলা নিয়ে গঠিত। এতে ১৫টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভা রয়েছে। এ আসনে মোট ভোটার হল ৪ লক্ষ ৩৪ হাজার ৬০৯জন। তারমধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লক্ষ ২২ হাজার ১৭৬জন, মহিলা ভোটারের সংখ্যা ২ লক্ষ ১২ হাজার ৪২৭জন, তৃতীয় লিঙ্গের ভোটারের সংখ্যা ০৬জন। মোট কেন্দ্র সংখ্যা হল ১৩০টি ও মোট ভোট কক্ষ ৮৬৭টি। এদিকে কসবা-আখাউড়ায় পোস্টাল ভোটার সংখ্যা হল ৯ হাজার ৩০১ জন।