ভাষা ব্যবহারে সংযত হওয়া সকলেরই উচিত। এই ভাষা ব্যবহারেই শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয় আবার অশান্তির বিস্তার লাভ করে। এই ভাষাকে কেন্দ্র করেই জাতি ঐক্যবদ্ধ হয় এবং বিভক্তিতে বিভাজিত হয়। এই ভাষার সংযম এখন ফরজে আইনে পরিনত হওয়া জরুরী। তবে ভাষা ব্যবহারের স্বাধীনতাকে অপখাতে ব্যবহার করা থেকে জাতিকে রক্ষায় মনোযোগী হওয়া জরুরী।
রাজনৈতিক অংগনের বক্তৃতা বিবৃতি ও কথা-বার্তায় সংযত হওয়া বা সংযম সাধন করা এখন সময়ের দাবী। নতুবা নতুন বাংলাদেশ বিনির্মানে এক বড় বিপর্যয় সাধিত হবে। সংসদে এবং সংসদের বাইরেও এই ভাষা ব্যবহারের সংযম অব্যাহত রাখা জরুরী। গত ২৪ এই সংযম শিখিয়েছে এবং আগামীর কল্যাণ সাধন এই সংযমেই নিহীত রয়েছে। জয় ও পরাজয় নিহিত রয়েছে ভাষা ব্যবহারের সংযমেই। মতভেদ ও মতানৈক্য থাকবেই কিন্তু এর জন্য ভাষা ব্যবহারের সংযম লংগন করা যাবে না। নেতিবাচক সমালোচনা ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিতেই করতে হবে। সকল নেতিবাচকতা বিতারিত করে দেশের ঐক্য ও সম্বৃদ্দি সাধনে মনোনিবেশ করতে হবে। মুখে নয় কর্মেই দৃশ্যমান উন্নয়ন ও উন্নতির সোপান জনগণের দৌঁড়গোড়ায় পৌছে দিতে হবে।
ধর্মীয় শিক্ষালয়ে এবং ওয়াজ মাহফিলে ভাষা ব্যবহারের সংযম এখন জরুরী হয়ে পড়েছে। এই ভাষা ব্যবহার সকল ক্ষেত্রে জরুরী হয়েছে যুগের চাহিদায় এবং সমাজ বিনির্মানের প্রয়োজনে। ২০২৪ এই শিক্ষাই দিয়ে গেছে। নিরীহ ও নিরপরাধ এবং বিনয়ী ও সংযত আচরণের নির্লোভ মানুষগুলোর প্রাণ এখন এইদিকেই তাকিয়ে আছে। শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শন এখন এই ভাষা ব্যবহারের মাধ্যমেই দৃশ্যমান হয়। সর্ত এবং মির্থ্যা যাচাই বাছাই ও গ্রহন আর বর্জন এই ভাষা ব্যবহারের মাধ্যমেই হয়ে থাকে। তাই আমাদের সচেতনতায় এই ভাষা ব্যবহার আনয়ন করা জরুরী। তাই শিক্ষা ক্ষেত্রে এর বাস্তভিত্তিক ব্যবহার এবং পদক্ষেপ বাস্তবায়ন জরুরী।
অফিস আদালত ও স্ব স্ব কর্মক্ষেত্রে এই ভাষা ব্যবহারের সংযম ও সতকর্তা জরুরী। আমরা এই ভাষা ব্যবহারের জন্য আইন ও কাঠামো এবং অধ্যাদেশ জারি করেছি কিন্তু ব্যবহারের জন্য বা চর্চার ক্ষেত্রে কোন দৃশ্যমান বাস্তবাতাই লক্ষ্যনীয় নয়। বরং ব্যবহার স্বাধীনতার নেতিবাচক অপব্যবহার দৃশ্যমান ও প্রত্যক্ষ বিরাজমান রয়েছে। তাই আসুন আমরা ভাষা ব্যবহারের ক্ষেত্রে সচেতন হই। আরো সংযমি হই এবং ইতিবাচক ও আদর্শীক শিক্ষনীয় দৃষ্টান্তের মধ্যমনী হিসেবে গ্রহণযোগ্য ও কার্যকরী করে তুলি।
আমাদের পরিবারেও এই ভাষা ব্যবহারের ক্ষেত্রে লক্ষ্যনীয় দৃষ্টান্তগুলোকে কাজে লাগাই। ইতিবাচক দৃষ্টান্ত এবং আদর্শীক বাস্তবিক গুনাবলির ক্ষেত্রে ভাষা ব্যবহার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই পরিবারের সকল ক্ষেত্রেই এই ভাষা ব্যবহারের ক্ষেত্রে আরো সংযত হই এবং ইতিবাচক কল্যাণের তরে ভাষাকে গরুত্ব দিয়ে অগ্রসর হয়। দৃশ্যমান সমাজ ব্যবস্তার ভাষা ব্যবহারের সকল নেতিবাচকতা পরিহার করি। ইতিবাচক সমাজ বিনির্মানে ভাষাকে আদর্শীক ভুমিকায় রাখি। এই ভাষার জন্য দেয়া জীবনকে আরো সম্মানীত করি এবং গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়ের মধ্যমনী করে রাখি। তাহলেই আগামীর প্রজন্ম এই ভাষা ব্যবহারে সংযমী হবে এবং কার্যকরী ভাষাজ্ঞানে পরিপূর্ণ হবে।
এই ঈদে ভাষার ব্যবহারের মাধুর্যতাই ঈদানন্দ পরিপূর্ণ হউক পরিপূর্ণতাই। আমাদের ইতিবাচক আকাঙ্কা ও শুভকামনা এই ঈদ উদযাপনের অনুসারী ও অনুরাগী এবং সর্বময় আপামর জনসাধারণের এমনকি সকল ধর্ম, বর্ণ ও গোত্রের সকলের প্রতি। ঈদ মানে আনন্দ, ঐদ মানে সাম্য ও সৌহাদ্য এবং সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে আমরা পরের তরে। এই পতিপাদ্যে অগ্রসর হওয়া। এই শুভক্ষনে ও কামনা রইল ভাষা ব্যবহারের সুচনালগ্নে।