প্রশান্তি ডেক্স॥ গত ২৫/০৬/২৬ইং তারিখ ভুমিদস্যু মনির হোসেন নামে এক সন্ত্রাসী একটি টিনসেট বাড়ী দখল করেন। তিনি পেশায় রাজমিস্ত্রির সহকারীর কাজ করেন। তিনি সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের সহিত জড়িত। তিনি বাড়িয় ভাড়াটিয়া ও কেয়ারটেকারকে জোড়পূর্বক ভয়ভীতি দেখিয়ে বেড় করেন। একজন কেয়ারটেকার এখনও জীবন-মৃত্যুর ভয় উপেক্ষা করে ঐ মনিবের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ঐ বাড়িতে অবস্থান করছেন। কিন্তু মনির ভয়-ভীতি দেখানো বন্ধ করেনি। তিনি সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে এসে রাতের অধারে পিস্তল দেখিয়ে ভীতি প্রদর্শন করেন।
তবে বাড়িটি নিয়ে মামলা চলমান রয়েছে। তবে মামলার বর্তমান মালিক ডিক্রি পেয়েছেন এবং তিনি সকল বিল ও খাজনা এবং সিটি কর নিয়মিত পরিশোধ করে যাচ্ছেন। এই মনির বিগত ফ্যাসিষ্ট সরকারের আমলেও একবার দখলে নেয়ার চেষ্টা চালিয়েছিল। কিন্তু তখন এলাকাবাসীর প্রবল বাধার মুখে সে পরাজিত হয়। তিনি পরাজিত সরকারের স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সাচ্চু সাহেবের ভাই লাচ্চু সাহেবের গণিষ্ট লোক। ঐ সময় তিনি ঐ লাচ্ছুদের ক্ষমতা ব্যবহার করে চেষ্টা চালিয়েছিল।
বর্তমানে সে আমার স্বনামধন্য মহতি মানুষ মোহাম্মদ আব্বাসের নাম বিক্রি করে ঐ বাড়ি দখলে নেয়। সে বলে আব্বাস ভাই বলে দিছে এই বাড়ি দখলে নিয়ে নিজে ভাড়া তুলতে। আদতে আব্বাস সাহেব এমন কথা বলেন নাই। বরং তিনি জমির প্রকৃত মালিকের পক্ষেই রয়েছেন।
এমতাবস্থায় মনিরের হাত থেকে এলাকার সুনাম এবং বাবা-মা মারা যাওয়া একমাত্র সন্তানের ভুমি উদ্ধার করে আইনের শাসন ও জবাবদিহীতা কায়েম করা হউক। বর্তমান সরকার এই সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফতার করে সাধারণের জীবনযাপনে স্বাচ্ছন্দ ফিরিয়ে দিক। এই কামনাই এখন এলাকার মানুষের। এই সময়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অভীপ্রায় হলো সন্ত্রাসী ধর জেলে ভরে সংশোধন করে দেশের কাজে লাগাও। তবে জিডি করার পরও পুলিশ কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় সাধারণে এখন প্রশ্ন? তাহলে পুলিশ কি এখনো পুরোপুরি কাজের উপযুক্ত হয়নি। যদি না হয় তাহলে কেন রাষ্ট্রের এত অর্থ অপচয়। এখন প্রশ্ন হলো কবে দেখবো পুলিশের একশন এবং সাধারণে স্বস্তি।