প্রশান্তি ডেক্স ॥ করোনা সঙ্কট মোকাবিলায় ব্যক্তিগত জায়গা থেকে অনেককিছু করছেন তামিম ইকবাল। সর্বশেষ ক্রিকেটের বাইরের ৯১ ক্রীড়াবিদকে দিয়েছেন আর্থিক সহায়তা। এই ওপেনার মনে করেন, তিনি একাই এমনটা করছেন তা নয়, আরও অনেকে এগিয়ে এসেছেন সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে। ‘অমি একা নই। আরও অনেকে সাহায্য-সহযোগিতা করে যাচ্ছেন।’- ফেসবুক লাইভে এমন মন্তব্য করে বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক জানিয়েছেন, করোনা সঙ্কট কাটিয়ে উঠতে সম্মিলিত প্রচেষ্টার বিকল্প নেই, ‘আসলে দরকার সম্মিলিত প্রচেষ্টা। সবাই একটু একটু করে সহযোগিতার হাত বাড়ালেই দেখবেন আর কোনও সমস্যা থাকবে না।’ তামিমের বিশ্বাস, এই সঙ্কটকালে সবাই নিজের খাবার ভাগাভাগি করলে কারও আর কষ্ট থাকবে না। ওয়ানডে অধিনায়কের চাওয়া, ‘এখন এমন এক পরিস্থিতি বিরাজ করছে, যাতে আসলে সম্মিলিত প্রচেষ্টাই দরকার। আমি অনেককে চিনি, জানি। যারা স্পোর্টসেরই মানুষ। আবার তার বাইরেও অনেকে আছেন, যারা কষ্টে থাকা অসহায় মানুষদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন এবং সাধ্যমতো চেষ্টা করে যাচ্ছেন। এখন যে সঙ্কটকাল চলছে, সবাই মিলে কাজ করলে এই সঙ্কট আর থাকবে না। আমরা যদি নিজেদের খাবার শেয়ার করি, তাহলে আর কারও খাবারের কষ্ট হবে না।’ সঙ্গে যোগ করেছেন, ‘আমরা সবাই যদি কমবেশি একে অন্যের পাশে এসে দাঁড়াই তাহলে দেখবেন, ক্রাইসিস থাকবে না। আর আমরা যদি একজন আরেকজনের পাশে না দাঁড়াই, নিজেদের কথা ভাবি, তাহলে এমন ক্রাইসিস ছয় মাস পর্যন্ত টেনে নেওয়া সম্ভব।’ ৯১ ক্রীড়াবিদের পাশে দাঁড়ানো প্রসঙ্গে তামিম বলেছেন, ‘আমি যখন অ্যাথলেট সামিউলের সঙ্গে কথা বললাম, তখনই মাথায় এসেছিল। যদিও এখন আসলে এ বিষয়ে তেমন কথা বলতে চাই না। আমার উপহার দিয়ে যদি কারও একটা মাস চলে যায়, তাহলে ভালো লাগবে।’ করোনার ফলে সৃষ্ট বিপর্যয়ে অসহায় ও দুস্থদের জন্য নিজের সর্বোচ্চটা করছেন তামিম। বেতনের অর্ধেক টাকা দিয়ে দিয়েছেন তিনি। ব্যক্তিগত উদ্যোগে সাহায্য করেছেন অ্যাথলেট সামিউলকে। ক্রিকেটার নাজমুল ইসলাম অপুর ত্রাণ কার্যক্রমে তিন দফা আর্থিক সাহায্য করেছেন। স্বেচ্ছাসেবিকা নাফিসা খানের ত্রাণ কার্যক্রমেও অনুদান দিয়েছেন। এরপর দিয়েছেন দেশের ৯১ ক্রীড়াবিদকে আর্থিক সহায়তা।