ট্রাফিকের অরাজগতা

প্রশান্তি ডেক্স ॥ ট্রাফিক পুলিশের অরাজকতা যেন শেষ হচ্ছে না। এখন তারা গোপনে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে ভূয়া ও অন্যায় মামলা দিয়ে টাকা আদায় করছে। যা সম্পূর্ণ অন্যায়। এই অন্যায়ের রেশ না টানলে হয়তো ট্রাফিক পুলিশও বিলিন হবে অচিরেই। কারণ বাংলার জনগণ ফুসে উঠতে বেশী সময় লাগবে না। ভিডিও ক্যামেরার মামলা প্রত্যাহার করা হউক নতুবা মামলা দেয়ার আগে মালিক বা ড্রাইভারের আত্মপক্ষ সমর্থনের ও ব্যাক্ষা দেয়ার সুযোগ দেয়া হউক। প্রয়োজনীয় উপাদানহীন মামলা দিলে জনরুষে জনগণ ও ট্রাফিক মুখোমুখি হবে।

গত ১৫/০৬/২৬ তারিখ বিকেল চারটার সময় মিরপুর ১০ এবং কাজীপাড়ার মাঝামাঝি স্থানে তারেক ডোরস্‌ দোকানের সামনে লোড ও আনলোড করা হচ্ছে এমন সময় আমি দোকানো দরজা ক্রয়ের উদ্দ্যেশ্যে গিয়ে গাড়িটি পারকিং করে দরজা ক্রয় করি এবং সম্ভবত ১৫মিনিট দাড়িয়ে কাজ সেরে ফিরে আসি। রাস্তায় কোন জানযট ছিলনা এমনকি ঐ রাস্তায় আনুমানিক প্রতিটি দোকানের সামনেই ক্রেতাদের গাড়ি দায়িয়ে ছিল। মোটকথা ঐদিনের ১৫ মিনিট সময়ের মধ্যেই ট্রাফিক ভিডিও করে আমার গাড়ির নামে মামলা করে বাসার ঠিকানায় চিঠি পাঠায়। প্রশ্ন হলো ঐ রাস্তাটি কি ট্রাফিকের। তাহলে আমরা রোড ট্যাক্স ব্যক্তিগত কর কেন দেই? সরকার কেন রাস্তার পাশে দোকান দিয়ে ব্যবসা করার সুযোগ দিয়েছে? মামলা দেয়ার আগে কেন ট্রাফিক বা সরকার দোকানের জন্য বা গাড়ির জন্য পার্কিং এর ব্যবস্থা করে দেয়নি? এই প্রশ্নের উত্তর এবং আইন বলে ঐদিনের ট্রাফিকের ভিডিও মামলাটি সম্পূর্ণ অবৈধ।

সুতরাং সরকার এবং ট্রাফিক সাবধান হওয়া জরুরী। নতুবা পাবলিক ধোলাই এবং ট্রাফিক বিলুপ্তির কর্মসূচীর ঘ্যারাকলে পরে বর্তমান অক্ষম পুলিশের দশায় পর্যবসিত হবে। ট্রাফিক পুলিশ যে হারে গাড়ির ড্রাইভারের কাছ থেকে ঘোষ নেয় সেই চিত্রগুলো প্রকাশিত হলে ট্রাফিক বিলুপ্তির আরেকটি ক্ষেত্র ও যুক্তিযক্তি কারণ জনতা এবং সরকারের সামনে উন্মোচিত হবে। তবে চব্বিশের কাছ থেকে ট্রাফিক পুলিশ কোন শিক্ষা নেয়নি বরং ওলুর পাখ গজালে তারাতারি মরে।

ট্রাফিকের অবৈধ পারকিং মামলা প্রত্যাহার করা হউক। যদি বৈধ পাকিং এর ব্যবস্থা করা হয় তাহলে অবৈধ পারকিং মামলা করার বিধান যুক্ত হউক। সরকার এই বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে নজরদারি বাড়ানোর দাবি রাখছি। নতুবা এই দায় সরকারের উপর বর্তাবে এবং ট্রাফিকের অন্যায়ের খেসারতে সরকার পরিবর্তনের ঘন্টা বাজবে। যা পরাজিত সরকারের বেজেছিল। আমি আইন শ্রদ্ধা করি এবং অবৈধ মামলার জরিমানা ২৫০০টাকা পরিশোধ করি। তবে প্রতিবাদ করে করনীয় ঠিক করতে অভিযোগ দিয়ে আসি। কর্তৃপক্ষ যদি সচেতন হয় এবং অভিযোগের আদলে ব্যবস্থা নেয় তাহলে সকলের জন্যই শ্রেয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.