পবিত্র ঈদুল আযহার আনন্দকে বাড়িয়ে তুলতে বা পরিপূর্ণতা দিতে সরকারের নেয়া পদক্ষেপগুলো যুগোপযোগী। পরিবহন ব্যবস্থায় যানজটমুক্ত থাকা। জনগণের মধ্যে উৎফুল্লতা বাড়িয়ে তুলতে এবং নিশ্চয়তা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধনে নেয়া পদক্ষেপে জনসন্তুষ্টি রচিত হয়েছে। সাধারণের সঙ্গে সরকার ও সরকার দলীয়দের সৌহার্দপূর্ণ ভাবের আদান প্রদানও একটি সহায়ক ভুমিকা পালনে কার্যকরি রূপ লাভ করেছে।
রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশেই এই রূপ সচিত্র আকারে প্রকাশিত হয়েছে। এই আন্তরিকতা এবং জনসম্পৃক্ততা ও নিজঞ্জাল ঈদানন্দ সবাইকেই ঐক্য ও সাম্য এবং সৌহাদ্যের সঙ্গে ভাতৃত্বের বন্ধনের আলিঙ্গনে আবদ্ধ করেছে। প্রধানমন্ত্রী ও তার ব্যক্তিগত সহকারীরা এমনকি সরকারের সঙ্গে যুক্ত থেকে নেতা ও কর্মীরা ঐ একই কাজ করে গেছেন। যার জন্য ঈদ ও যাত্রা হয়েছে উপভোগ্য। পরিস্কার ও পরিচ্ছন্ন নগরির পাশাপাশি গ্রামেগঞ্জেও ঐ একই দৃশ্যের অবতারনা হয়েছে।
সরকারী হাসপাতালে কিছু বিঘ্ন ঘটেছে। ঈদের দিন প্রত্যক্ষদর্শীর বরাতে জানা যায় সেবা প্রত্যাশিরা সেবা পেয়েছে তবে বিনিময়ে দিতে হয়ে টাকা (অর্থ)। এটা সরকারের নির্দেশনা ও সেবার মানুষিকতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও বেমানান। চাকুরী প্রত্যাশির ক্ষেত্রেও অতিলোভি দলীয় লোকের কারণে সরকারের দুর্নাম ছড়িয়ে মহৎ ও দৃষ্টাগুলো ঢাকা পড়তে চলেছে। এই বিষয়গুলোর প্রতি দৃষ্টিপাত দেয়া জরুরী। সর্বোপরি ঈদ এবং ঈদ সংশ্লিষ্ট পূর্বাপর সবই সন্তোষজনক এবং কল্যাণকামীতায় পরিণত হয়েছে। তাই সাধুবাদ জানাই সরকার এবং সরকারের প্রধান মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে। ঈদ মোবারক।