কসবায় র‍্যাবের অভিযানে ৮৪কেজি গাঁজা উদ্ধার

কসবা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি ॥ কসবা উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৯, সিপিসি-১, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

র‍্যাব সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (৩০ জুন ২০২৬) বিকেল আনুমানিক ৫ টা ৫০ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাবের একটি আভিযানিক দল জানতে পারে, কসবা থানাধীন বায়েক ইউনিয়নের গুচ্ছগ্রাম এলাকার একটি ঘাসক্ষেতে কতিপয় ব্যক্তি মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে।

সংবাদের ভিত্তিতে বিকেল আনুমানিক ৪টা ১০ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছে র‍্যাব সদস্যরা ব্যাপক তল্লাশি চালান। এ সময় ঘাসক্ষেতে পড়ে থাকা পরিত্যক্ত ৩টি লাল রঙের প্লাস্টিকের বস্তার ভেতর টেপে মোড়ানো অবস্থায় ৮৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

তবে উদ্ধারকৃত গাঁজার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কাউকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে র‍্যাব-৯-এর তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

ভজন শংকর আচার্য্য, কসবা (ব্রাহ্মণবাডি়য়া) প্রতিনিধি। তারিখ -০১/০৭/২০২৬ ইং   মোবাইল ০১৭৮৫৮৫৪১৩০

একই দিনে একই স্কুলের ৪ ছাত্রী নিখোঁজ, ঠাকুরগাঁওয়ে চরম উদ্বেগ

মোঃ জসীমউদ্দীন ইতি, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি॥ ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় একই দিনে ও একই সাথে একটি বিদ্যালয়ের চার স্কুলছাত্রী নিখোঁজ হওয়ার চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। গত মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে একসঙ্গে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকে তাদের আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। নিখোঁজের এই ঘটনায় ওই দিন রাত সাড়ে ১১টায় বালিয়াডাঙ্গী থানায় ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর পক্ষ থেকে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।

নিখোঁজ ছাত্রীরা সবাই উপজেলার চাড়োল ইউনিয়নের সাবাজপুর গ্রামের বাসিন্দা। তারা হলেন : শ্রীমতি খুশি (১৭), সাবাজপুর গ্রামের মানিক চন্দ্রের কন্যা। তিনি সাবাজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী। মলিকা (১৭), একই গ্রামের বাংঠু দেবনাথের কন্যা। তিনিও একই বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী। ঋতু দেবনাথ (১৬), রমেশ চন্দ্র দেবনাথের কন্যা। তিনিও সাবাজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী। সুজতি রানী দেবনাথ (১৪), আকালু দেবনাথের কন্যা। তিনি ওই বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী।

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো গত মঙ্গলবার সকাল ৬টার দিকে তারা চারজন একসঙ্গে বাড়ি থেকে প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে বের হয়। কিন্তু প্রাইভেটের নির্দিষ্ট সময় পার হয়ে যাওয়ার পরও তারা বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে স্কুল ও প্রাইভেট সেন্টারে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তারা কেউই সেখানে পৌঁছায়নি। আত্মীয়-স্বজনসহ সম্ভাব্য সব জায়গায় দিনভর খোঁজাখুঁজি করে কোনো সন্ধান না পেয়ে অবশেষে রাতে পরিবারগুলো থানায় গিয়ে জিডি করেন।

একই গ্রাম ও একই স্কুলের চার চারজন কিশোরী শিক্ষার্থী একসঙ্গে নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় এলাকা জুড়ে তীব্র আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। মেয়েদের আকস্মিক নিখোঁজের পেছনে অন্য কোনো কারণ বা কোনো অপহরণ চক্রের হাত রয়েছে কিনা, তা নিয়ে স্থানীয়দের মনে নানা প্রশ্নের উদ্রেক হচ্ছে।

এ বিষয়ে বালিয়াডাঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বুলবুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ‘নিখোঁজ চার স্কুলছাত্রীর পরিবার রাতে থানায় এসে সাধারণ ডায়েরি করেছে। ঘটনাটি জানার পর থেকেই পুলিশ অত্যন্ত তৎপর রয়েছে। স্কুলছাত্রীদের দ্রুত উদ্ধার এবং তাদের সন্ধানে আমরা ইতিমধ্যে জোরেশোরে কাজ শুরু করেছি।

এ বিষয়ে সাবাজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদের সাথে যোগাযোগ করা হলো তার ফোন নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.