ভজন শংকর আচার্য কসবা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি ॥ খাল পুনঃখনন প্রকল্পের কাজ সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে সম্পন্ন করে সাশ্রয় হওয়া অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ায় কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ছামিউল ইসলাম সহ দেশের ৮৩ উপজেলার ইউএনওকে প্রশংসা ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

গত রোববার (৯ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের করবী হলে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসব কর্মকর্তাকে প্রশংসা ও ধন্যবাদ জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নিজ নিজ দায়িত্ব সততা, নিষ্ঠা, দায়িত্বশীলতা ও মানবিকতার সঙ্গে পালনের আহ্বান জানান। পাশাপাশি দেশের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে আন্তরিকভাবে কাজ করার জন্য তাঁদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রের দায়িত্বে থাকা প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য মানুষের সেবা করার সুযোগ একটি বড় আমানত। আগামী প্রজন্মের জন্য নিরাপদ, বাসযোগ্য ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
জানা গেছে, কসবা উপজেলার দুটি খাল পুনঃখনন প্রকল্প নির্ধারিত অর্থের মধ্যে সম্পন্ন করে ৭৮ লাখ ৬৮ হাজার টাকা সাশ্রয় করেন ইউএনও মো. ছামিউল ইসলাম। পরে সাশ্রয় হওয়া পুরো অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়।
সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে তাঁর এ উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হয়েছে।
এ বিষয়ে ইউএনও মো. ছামিউল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে এমন স্বীকৃতি ভবিষ্যতে আরও সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার অনুপ্রেরণা জোগাবে। এ স্বীকৃতির জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
কসবার সচেতন মহলও সরকারি অর্থ সাশ্রয় করে কোষাগারে ফেরত দেওয়ার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। তাঁদের মতে, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে অপচয় কমানো এবং জনগণের অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে এ ধরনের উদ্যোগ অনুকরণীয়। সৎ ও দক্ষ কর্মকর্তাদের এমন কার্যক্রম সরকারি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।