প্রশান্তি ডেক্স ॥ ১২ ঘন্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি একটি মানবিক দৃষ্টান্ত। তবে এই প্যারোল আরো নতুনত্ব আনয়ন করা যেত। যেহেতু দীপুমনির সংসারে একমাত্র মেয়ে এবং তিনি মুসলিম তাই মেয়েকে শান্তনা দেয়া এমনকি নিজেও শান্তনায় থাকা আর ইসলামি রিতির বা চলতি রেওয়াজের ধারাবাহিকতা রক্ষায় ৪০দিন পুলিশী নিরাপত্তায় বাড়িতে কারান্তরিন রাখলে ভাল হতো। তিনি ৪০দিন স্বামীর শোক সইয়ে পরিবারকে সময় দিয়ে এবং একমাত্র মেয়েকে শান্তনা দিয়ে ও নিয়ে কারাঅভ্যন্তরে যেতে পারতেন। কারাঘারে তিনি একা এবং স্বামীবিহনে শোক বইবার বা কারো কাছে মনের দু:খ বলার কাছের মানুষ না থাকায় একটি অভিন্ন যন্ত্রণায় ছটফটাবেন। এমনিতেই জেল এক জলন্ত যন্ত্রণা আর তার উপর আবার স্বামী বিরহের বা বিহনের যন্ত্রণা। এই দুইয়ে তিনি ও তার পরিবার আজ অভিশপ্ত। তবে এই পরিস্থিতি সকলের জন্যই প্রস্তুত। যখন যার উপর প্রয়োজ্য হয় তখন সেই এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করে থাকেন।
তবে এই বিষয়ে সৃষ্টিকর্তার একটি বানী আছে, “তোমরা যেমন আশা করো ঠিক তেমনি আগে করে দেখাও”। হঁ্যা এই বিষয়টিই আজ অনুপস্থিত। যার জন্য অতীতের কৃতকর্মের দায় নিয়ে এখন যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে। আর বর্তমানরা ভবিষ্যতে কাতরাবে। এটাই হলো নিয়তির বিধান আর সৃষ্টিকর্তার প্রদত্ত শিক্ষার বাস্তব দৃশ্যমানতা। তাই সময় থাকতে পরিবর্তন হওয়া এবং নতুনত্ব আনয়ন করা জরুরী।
তবে এই পুরোনো রেওয়াজ ভেঙ্গে নতুন রেওয়াজ এই নতুন বাংলাদেশে সৃষ্টি করা যেত। ভেবে দেখবেন কিভাবে নতুনত্ব আনয়ন করা যায় এবং কিভাবে সকলকে নিজের মত মহব্বত করা যায়?