শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কাজের ধীরলয়

প্রশান্তি ডেক্স ॥ শিক্ষামন্ত্রণালয় এখন সবচেয়ে অলস মন্ত্রণালয় হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে। এই মন্ত্রণালয়ে কাজ করার চেয়ে গল্প এবং রাজনৈতিক মতাদর্শের কাহিনীই বেশী হচ্ছে। বিগত পরাজিত সরকারের আমলে ছিল অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে কাজ যথাসময়ে করার প্রক্রিয়া। তৎপরবর্তী ইউনূস সরকারের আমলে ছিল গল্প আন্ডা আর এবাদতের মাধ্যমে সময় অতিবাহিত করা। তবে সেই সময়ে কোন ফাইল আপ এবং ডাউন হবে তা নিয়ে সবার দৃষ্টি নিবন্ধিত থাকতো সচিব মহোদয় বা উপরের আদেশ বা চাহিদার উপর। সেই থেকে এই মন্ত্রণালয় অলসে পরিণত হয়ে এভ গন্ডারের চামড়ার আবরণের  কাছাকাছি পৌঁছেছে।

বর্তমানে নির্বাচিত সরকার এসেছে এবং গতিশীলতার জন্য তারা কাজ করছেন এমনকি লোকবল নিয়োগ দিয়ে গতিময়তা ফিরিয়ে আনতে চেষ্টা করছেন। কিন্তু সেই অলসতায় এখন পড়ে আসে এই মন্ত্রণালয়। একটি আবেদন করা হয়েছিল প্রায় বছর খানেক আগে এবং কয়েকবার বিভিন্ন সচিবের টেবিলে গিয়ে আলোচনাও হয়েছে  এবং ফাইনালি সিদ্ধান্ত হয়েছিল এই আবেদনে সাড়া দিয়ে অনুমতি প্রদান করা হবে। কিন্তু সেই থেকে এখনও অপেক্ষায় থেকে দিনগুজার করছি কিন্তু কোন ফল পাচ্ছি না। এমতাবস্থায় দেখা গেলো ঠিক একই ধরনের একটি আবেদন মঞ্জুর করা হয়েছে এবং সে তার কাংখিল লক্ষ্যে পৌঁছেছে। তাহলে কলা হলো আমাদের আবেদনের কি খবর?

বুঝা যাচ্ছে ঐ আবেদনটি অলসতার স্বীকারে পরিণত হয়েছে। অথবা অলসতা নামক ঘুনে খেয়ে ফেলেছে। আমি বিনীতভাবে অনুরোধ করব ঐ মন্ত্রণালয়ের সকলকে যেন ফাইল নড়াচড়াই গতিময়তা ফিরিয়ে নিয়ে আসা হয়। যে কোন আবেদন দ্রুত নিস্পত্তি করা হয়। তবে তা যেন ন্যায্যতার ভিত্তিতে আইন এবং ন্যায়-নীতির মাধ্যমে।

এই বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং সচিব মহোদয়কে মনোযোগ সহকারে দৃষ্টি দেয়ার অনুরোধ রাখছি। যেন আবেদনকারীরা নিশ্চিত হয় এবং আবেদনের কাংখিল লক্ষ্য হাছিল হয়। আমি ব্যক্তিগতভাবে এই বিষয়টি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও মন্তিমহোদয়ের নিকট এমনকি সচিব মহোদয়ের নিকট উত্থাপিত করিব। আশা রাখছি অলসতা কাটিয়ে ভালভাবে এই মন্ত্রণালয়টি কার্যক্রম পরিচালনা করিবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.