ভজন শংকর আচার্য্য, কসবা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি ॥ ১৫০ শিক্ষার্থী নিয়ে কসবা উপজেলা ইসলামি ছাত্র শিবিরের জিপিএ-৫ (এ+) কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

কসবা উপজেলা ইসলামী ছাত্র শিবিরের সভাপতি মু. জাহিদ হাসানের সভাপতিত্বে ও মু.আশরাফুল ইসলামের সঞ্চালনায় এ+ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ডাঃ ফখরুদ্দিন মানিক, বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের মানব সম্পদ ও ব্যবস্থাপনা সম্পাদক নোমান হোসেন নয়ন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য আতাউর রহমান সরকার। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডাঃ ফখরুদ্দিন মানিক বলেন “সৎ ও দক্ষ নাগরিকই গড়বে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ।” আজকের জিপিএ-৫ প্রাপ্ত মেধাবী মুখগুলোই আগামী দিনের দেশ পরিচালনার মূল চালিকাশক্তি। তাদের নৈতিকতা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
আতাউর রহমা সরকার বলেন, আজকের মেধা ও নৈতিকতার এই অনন্য সমন্বয়ই আগামী দিনের বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবে। দেশকে সমৃদ্ধির শিখরে নিয়ে যেতে হলে শুধু প্রাতিষ্ঠানিক ফলাফলে সেরা হলেই চলবে না, বরং দেশপ্রেম, সৎ চরিত্র ও ইসলামী মূল্যবোধে বলীয়ান হয়ে নিজেদের আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কসবা উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী কাজী ইয়াকুব আলী, জেলা শিবির সভাপতি জুলফিকার হায়দার রাফি, কসবা তফজ্জল আলী কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ আবুল কালাম আজাদ, কসবা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর অধ্যক্ষ ফরিদউদ্দিন, উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান প্রার্থী শিবলী নোমানী, নুরুল আমিন ও গোলাম সারোয়ার প্রমুখ।
“অনুষ্ঠানে জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট, শিক্ষা উপকরণ ও উপহার তুলে দেওয়া হয়। কসবা উপজেলার সকল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এ+ প্রাপ্ত সকল শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবক এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। শিক্ষার্থীদের সাফল্যের স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি তাদের ভবিষ্যতের উচ্চশিক্ষা ও ক্যারিয়ার গড়ার বিষয়ে দিকনির্দেশনামূলক আলোচনা করা হয়। সংবর্ধনা পাওয়া শিক্ষার্থীরা এমন আয়োজনে আনন্দ প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে দেশের কল্যাণে নিজেদের নিয়োজিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।